Information

মাইন্ড হ্যাক্স- জেনে অনেক অবাক হবেন!

মাইন্ড হ্যাক্স- জেনে অনেক অবাক হবেন! সোর্সঃ Quora || লিখেছেন- শ্রেয়শী সাহা

১)অনেকক্ষন কোন একটা বিষয় নিয়ে অনেক বিরক্ত,অনেক কষ্ট পাচ্ছেন,কাউকে বলতেও পারছেন না?
কোথাও লিখে ফেলুন,পার্সোনাল ডাইরি নাহলে কোন কাগজে….আপনার যা মনে আসছে তাই,কাউকে অপছন্দ হলে তার বিরুদ্ধেও লিখতে পারেন।একটু পর দেখবেন,সেই চিন্তা নিয়ে আর এত ভাবছেন না।(এটা পরীক্ষিত সত্য,আমি করি)
২)কারো কাছ আরও বিস্তারিত উত্তর পেতে চাচ্ছেন?
কিন্তু তিনি এড়িয়ে যাচ্ছেন?তার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকুন….সে বাধ্য হবে এর চেয়ে বেশি বলতে।(আমার এক ফ্রেন্ড এই বুদ্ধি আমার ওপরেই খাটায়…আমার যদিও রাগ লাগে )
৩)কারো কাছে পছন্দের ব্যক্তি হতে চাচ্ছেন?
বেশি করে তার নামটা উচ্চারণ করুন তার সামনে।মানুষ তার নাম শুনতে অন্যের মুখে শুনতে খুবই ভালোবাসে।
৪)কাউকে অপছন্দ হলেই তার নামে অন্য কোন বন্ধু/বান্ধবীর কাছে নিন্দা করে বসবেন না।
কষ্ট হলেও এ স্বভাবকে নিয়ন্ত্রণ করুন।এতে আপনার দুটো লাভ হবে,১)আপনার বন্ধু/বান্ধবী বুঝে যাবে আপনি তার নামেও নিন্দা করেন না কারো কাছে,আপনার গ্রহনযোগ্যতা বাড়বে। ২)আপনার মনটা কম কলুষিত থাকবে।
৫)মেয়েরা সাধারণত এমন কাউকে পছন্দ করে যারা মুখোমুখি কথা বলে,আর ছেলেরা… পাশাপাশি বসে কথা বলতে।
এ জিনিসটা কাউকে ইমপ্রেস করতে কাজে লাগাতে পারেন!
৬)কোন গান মাথার মধ্যে একেবারে গেড়ে বসেছে?
সারাদিন ওই গান শুনতে ইচ্ছা করছে,পড়াশোনা কাজকর্ম সবসময় ওই গান মাথায় বাজছে?বিরক্ত লাগলেও কিছু করতে পারছেন না?…..একটা কাজ করুন,ইউটিউব বা অন্য কোথাও ওই গানের কোন ভার্সন শুনুন।সবচেয়ে বাজে ভার্সন টা,যার কোন সুর তালের ঠিক নেই।বেশ কয়েকবার শুনুন।এবার দেখবেন ওই গানের কথা ভাবলেই বাজে ভার্সন টাই মাথায় আসবে…আর শুনতেও ইচ্ছা করবে না!
৭)আপনি কোন কাজে হেরে গিয়েছেন….আর আপনাকে অপছন্দ করা ব্যক্তিরা এটার কারণে খুব মজা নিচ্ছে?
আপনার প্রতিপক্ষের সামনে গিয়ে হাসুন,প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষ ভাবে।কখনো বোঝাবেন না আপনার মন খারাপ।সুন্দর হাসি,ভুবন ভোলানো হাসি দিন।দেখবেন,একসময় সেই প্রতিপক্ষের খুশি আর বেশি দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না।আপনার প্রতিপক্ষের কাছে আপনার দুঃখী মুখটাই বেশি প্রিয়।
৮)হঠাৎ করে হাতে কিছু টাকা এসেছে?কি করবেন বুঝতে পারছেন না?
আপনার প্রিয় কোন মানুষের জন্য কিছু খবচ করে ফেলুন।এতে প্রিয় মানুষটি খুশি হবে,তবে আপনি তার চেয়েও বেশি।(পরীক্ষিত সত্য)
৯)নিজের ভুল/অপরাধ বুঝতে পারলে গলা বাড়িয়ে নিজেকে ঠিক না প্রমাণ করে ক্ষমা চান।
সাময়িক ভাবে মনে হতে পারে,এতে আপনি সবার কাছে ছোট হয়ে যাবেন,কিন্তু সত্য হচ্ছে,আপনার ভুল/অপরাধের কারণে আপনি যা ছোট হওয়ার হয়েই গিয়েছেন,এখন আপনার ক্ষমা চাওয়ার সৎ সাহসই আপনার প্রকৃত ‘বড়’ হওয়ার প্রমান।
১০)কোন মানুষকে স্বভাব বিচার করতে চাচ্ছেন?
লক্ষ্য করুন,উনি তার চেয়ে কম মর্যাদা সম্পন্ন মানুষের সাথে কেমন আচরণ করে।
১১)আপনি কারো সাথে কথা বলতে চাইছেন না?
তার কথা শেষ হওয়ার আগে জল খাওয়া শুরু করে দিন।ধীরে ধীরে খান….যতক্ষন না উনি অপেক্ষা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে চলে যাচ্ছেন!
১২) রাস্তায় কোন অপছন্দের ব্যক্তির আগানো দেখতে পাচ্ছেন,কিন্তু এড়িয়ে যেতে চাইছেন?
সুন্দর করে আপনার মোবাইল টা বের করে কানে নিয়ে ভ্রু কুঁচকে খুব গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথনে ব্যস্ত আছেন,এমন ভাব করুন!
১৩) কাউকে অপ্রস্তুত/ অস্বস্তিতে ফেলতে চাচ্ছেন?
কিছুক্ষণ তার পায়ের দিকে বা চুলের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকুন।দেখবেন কিছুক্ষণ পর অপর প্রান্তের ব্যক্তি খুশখুশ শুরু করেছে!
১৪) নিজেকে অন্যদের থেকে একটু আলাদা বানাতে চান?
যখন কোন কিছু বলবেন,সময়/সংখ্যাটা খুব নির্দিষ্ট করে বলবেন।যেমন,”এই লেখাটা লিখতে কতক্ষন লেগেছে?১৫/২০ মিনিট না বলে বলুন ২২ মিনিট।ঘুম থেকে কখন উঠেছেন?সোয়া ৮ টা বলে বলুন,৮ টা ১৭ মিনিট।এখন ভাবছেন,আমি কি গুনে গুনে কাজ করব নাকি!আরে,যাকে বলছেন সে কি আদৌ দেখতে আসবে আপনি কতটা গুনেছেন! আমি এই ট্রিকস টা প্রচুর খাটাই!
১৫) কোন গোপন কথা বলতে চাচ্ছেন না কিন্তু বন্ধু চেপে ধরেছে বলতেই হবে?
তাকে ফিসফিস করে আশেপাশে তাকিয়ে বলুন,”দোস্ত,তোকে তো বলবোই।একটু পরে বলি?” এতে দুটো কাজ হবে,আপনার বন্ধু নিজেকে বিশ্বাসযোগ্য মনে করবে এবং ৭০% সম্ভাবনা সে এই ঘটনার কথা মনে রাখবে না(যদি মারাত্মক বড় কোন বিষয় না হয়)

আইন ব্যবসায়ী

আইনজীবী হলেন 'আইন ব্যবসায়ী', যিনি একজন এ্যাডভোকেট, ব্যারিস্টার, এটর্নি, সলিসিটর বা আইনি উপদেশক। আইনজীবী মূলত আইনের তাত্ত্বিক বিষয়গুলির বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে ব্যক্তির বা সংস্থার আইনি সমস্যার সমাধানের কাজ করে থাকেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button